মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C
পাতা

উপজেলা প্রশাসনের পটভূমি

 

১৮৫৭ সালের সিপাহী বিপ্লবকে দমন করে ইংরেজ শাসকগোষ্ঠী এ দেশে তাদের শাসনকে সুপ্রতিষ্ঠিত করার লক্ষ্যে যে সকল পদক্ষেপ গ্রহণ করে তার মধ্যে কুঠিভিত্তিক শাসন ব্যবস্থা অন্যতম। এই শাসন ব্যবস্থাকে সুদূর সুন্দর বনাঞ্চল পর্যন্ত পেৌছে দেবার লক্ষ্যে পানগুছি নদীর পশ্চিম তীরে সরালিয়া খালের দক্ষিণ পার্শ্বে গড়ে োঠে একটি কেন্দ্র। পানগুছি খালের উত্তর পাড়ে বারইখালী গ্রাম। এছাড়া সুন্দরবনের আরো কিছু এলাকা আবাদ করে ১৮২৮ খৃষ্টব্দে তার সীমানা নির্ধারণ করে চব্বিশ পরগনার জমিদার কাশিনাথ মুন্সির নিকট পত্তন দেোয়া হয়। কাশিনাথ মুন্সির নিকট থেকে বারইখালি এলাকার পত্তনি গ্রহণ করেন বরিশাল জেলার ভান্ডারিয়া থানার অর্ন্তগত সিঙহখালী গ্রামের প্রতাবশালী বীর পুরুষ জাহাঙ্গীর। ইতিমধ্যে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানীর অধীনে চাকরীরত মিষ্টার মোড়েলের মৃত্যু হলে তার স্ত্রী মিসেস মোড়েল ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানীর নিকট ধরনা ধরে সরালিয়া এবঙ তার পার্শ্ববর্তী এলাকার উপর কর্তৃত্ব দাবী করেন। কাশিনাথ মুন্সি দয়াপরবশ হয়ে নিজের অধিকার প্রত্যাহার করলে ১৮৩০ খৃষ্টাব্দে মিসেস মোড়েল তার দুপুত্র রবার্ট মোড়েল ো হেনরী মোড়েলের নামে এ অঞ্চলের পত্তনী গ্রহণ করেন। তারা পানগুছি নদীর পশ্চিম তীরে নির্মাণ করলেন কুঠিবাড়ী। এ কুঠিবাড়ীরকে সুন্দরবনের হিংস্র জন্তুর উপদ্রব থেকে রক্ষা করার জন্য দশ ফুট উচু প্রাচীর দিয়ে ঘিরে রাখলেন। নির্মিত হল আস্তাবল, পিলখানা, নাচঘর, গুদাম, কাচারীবাড়ী, লাঠিয়াল বাহিনীর জন্য পৃথক ঘর, নির্যাতনকক্ষ এবং শুরু হলো মোড়েলগঞ্জ নামক জনপদের পথচলা।